বুধবার , ১০ আগস্ট ২০২২ | ১৮ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. প্রবাস
  11. ফিচার
  12. বাণিজ্য
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিভাগীয় সংবাদ

আঞ্জমান শিরিন এর জন্মদিনে কলিকাতা থেকে ভক্ত সন্তানের চিঠি

প্রতিবেদক
admin
আগস্ট ১০, ২০২২ ৬:৫৬ অপরাহ্ণ

মায়ের জন্মদিন
মা।
মা তো মা-ই।
তার আবার পর্দা কি বাস্তবই বা কি। অভিনয় কি শুধু পর্দায় হয়। বাস্তবে তো তার চাইতে অনেক বেশি কঠিন অভিনয় করতে হয়।
আমি ওপার বাংলার নাটক দেখা শুরু করি 2018 থেকে। মায়ের চরিত্রে ওনার অভিনীত অনেক নাটক দেখেছি। কখনো নায়কের মা, তো কখনো নায়িকার।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো একটা বারো মনে হয় না যে সম্পূর্ণটাই তো শুধু অভিনয়। পর্দার চরিত্র গুলো কখন যে বাস্তব জীবনের সাথে মিলে যায় নিজেদের অলক্ষ্যে। এটাই বুঝি শিল্প।
যতই শিল্প হোক, মায়ের কাছে সন্তানের মঙ্গল কামনাই হলো সবচাইতে সোজা ও সহজ কথা। ব্যাস এর বাইরে মা গুলো আর কিছুই ভাবতে পারে না।
“নিখোঁজ সংবাদ” নাটকে ওনার নিখোঁজ মেজ ছেলে যখন অনেক বছর পর ফিরে আসলো। ততক্ষণে গ্রামের সবাই রটিয়ে দিয়েছে। এটা কখনোই মফিজ না। মফিজের ভূত। মায়ের মন তখন একে তো মেজ ছেলের জন্য ক্ষতবিক্ষত। আবার পরক্ষণেই বাকি ২ ই ছেলেকে সাবধান করছে, বাবারে তোরা বেশি কাছে যাইস না। সত্য সত্যই যদি ভূত হয়।
তারপর ওনাকে দেখলাম “কাঁচের পুতুল” নাটকে। সাদামাটা মধ্যবিত্ত পরিবারের ২ই যুবতী মেয়ের মায়ের ভূমিকায়। তারপর “মনপুরা”। গ্রামের এক ধনী জমিদারের গৃহিণী। নিজের পাগল ছেলের জন্য, সোনাই আর পরীর নিখাঁদ ভালোবাসার বুকে কফিনের শেষ পেরেক টা গেঁথে দিল। কারণ নিজের সিন্তানের সুখের জন্য।
আর “হাড়কিপটে” নিয়ে কি বা বলবো…
বহর আর বহরের বাপে মিলে খুব জ্বালাইসে ওনারে। তবে গোল্লা তার মামনির কষ্ট বুঝত।
কিন্তু ভাগ্যক্রমে সেই গোল্লাই অজান্তে সবচেয়ে বড়ো কষ্ট দিলো ওনাকে….
আর কত বলবো…বলে শেষ করা যাবে না। কি সাবলীল অভিনয়।
ওদিকে সময় পেলেই Chanchal Chowdhury স্যারের ফেসবুক প্রোফাইলে গোয়েন্দাগিরি চলতেই থাকে আমার।
বেশ কিছু দিন ধরে নিজের মধ্যেই নেই। কিছু গল্পের বই আর মোবাইল…এই দুটোকে নিয়েই আছি। পরশু রাতে কিছুক্ষণ মিছিমিছি বইপত্র গুলো এলোমেলো করে, উল্টে রাখলাম।
মোবাইলটা হাতে নিতেই Anjuman Shirin এই প্রোফাইলটা চোখে পড়লো। পুরো অবাক আমি। আরে এই তো পর্দার সেই মা। সন্তানের সুখের জন্য যে সব করতে পারে।
কাল একটু কথা। তারপর রাত হতেই দেখি আজ তো মায়ের জন্মদিন।
আমার মাকে যা দুঃখ দেই, জন্মদিন তো দূরে থাক। শত চেষ্টা করেও একটা ভালো দিন উপহার দিতে পারিনা।
তাই ভাবলাম অন্তত এই মায়ের জন্য জন্মদিনে কিছু তো লিখতেই হবে। এর চেয়ে বেশি “মা” গুলোকে আমরা কিছুই দিতে পারি না।
একমাত্র মা পারে মায়ের মত ভালোবাসতে। আর আমরা পারি ভালোবাসার অভিনয় করতে।
জন্মদিনের অনেক অনেক শুভকামনা…
খুব ভালো থাকবেন!!
শিলিগুড়ি থেকে  “পিউ সরকার”

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত